শনিবার, ২০-জুলাই ২০১৯, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • রাজনীতি
  • »
  • ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের দারস্থ হলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে: জিএম কাদের 

ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের দারস্থ হলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে: জিএম কাদের 

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৫ জুন, ২০১৯ ০৬:০২ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা: নতুন বাজেটের ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংক ঋণের সাহায্য নিলে বিরাজমান সমস্যা আরও ঘনীভূত হবে বলে মনে করেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি। শনিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় রজনীগন্ধায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর দলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, বর্তমানে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট চলছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সরকারের অধিক হারে ঋণ গ্রহণ। ফলে বেসরকারি খাতে নতুন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনমত যথেষ্ট ঋণ পাচ্ছেন না।

‘এ কারণে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় ঘাটতি মেটাতে সরকার যখন আবার ব্যাংক ঋণের সাহায্য নেবে, তা বিরাজমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে।’

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে গণমানুষের জন্যই বাজেট প্রণয়ন করা হয়। প্রস্তাবিত ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ বাজেট। আকৃতি বেশ বড়। বড় অংকের অর্থ রাজস্ব খাতে আয় করতে হবে।

‘আবার নির্ধারিত খাতে বড় ধরনের ব্যয়ও করতে হবে। দুটিই বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের জন্য। আয়ের প্রশ্নে আমাদের চাওয়া, যাতে অপেক্ষাকৃত অবস্থাপন্নদের কাছ থেকে বেশি হারে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা থাকে ও স্বল্প আয়ের মানুষের ঘাড়ে কম দায় চাপানো হয়।’

‘অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কর যেমন আয়কর থেকে যতদূর সম্ভব রাজস্ব আদায় করা হয় ও পরোক্ষ কর (যেমন আমদানি শুল্ক ইত্যাদি) থেকে কম অংশ আয়ের ব্যবস্থা করা হয়,’ জানালেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে আয়-ব্যয়ের মধ্যে একটি বিশাল ফারাক আছে, যা বাজেট ঘাটতি ও যার আকার অঙ্কে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

‘এ ঘাটতি মেটানোর জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ (৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি) + বিদেশী ঋণ ও সাহায্য (৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি) + ব্যাংকের বাইরে (সঞ্চয়পত্র ইত্যাদি) থেকে নেয়া ঋণ (৩০ হাজার কোটি) টাকা।’

তিনি বলেন, এ ধরনের ঋণের খরচ অধিক ও প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এ ধরনের ঋণ গ্রহণের আগে বিষয়টি ভালোমতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয়। তাছাড়া মোট ঘাটতি আরও অধিক হওয়ার আশঙ্কা আছে। 
শীর্ষকাগজ/এসএসআই