রবিবার, ২৬-মে ২০১৯, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • অফিস-আদালত
  • »
  • ভবন ভাঙতে ফের সময় চাওয়ায় বিজিএমইএকে আইনি নোটিশ

ভবন ভাঙতে ফের সময় চাওয়ায় বিজিএমইএকে আইনি নোটিশ

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা : ভবন ভাঙতে ফের একবছর সময় চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাহার করতে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র প্রেসিডেন্টকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সময় চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। তা না করলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এ নোটিশ পাঠান।
এর আগে, গত ১২ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আপিল বিভাগের দেওয়া সময় শেষ হয়। তবে এর আগের দিন ১১ এপ্রিল ভবন ভাঙতে পুনরায় একবছর সময় চেয়ে আবেদন জানায় বিজিএমইএ। অথচ আর সময় চাইবে না বলে গত বছর মুচলেকা দিয়েছিল বিজিএমইএ। তাই পুনরায় একবছর সময় চেয়ে করা বিজিএমইএ’র আবেদন প্রত্যাহার চেয়ে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
এর মধ্যে অবশ্য মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) থেকে বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এর ধারাবাহিকতায় ভবন ভাঙা ও মালামাল সরিয়ে নিতে দরপত্রও আহ্বান করা হয়।
রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে ওঠা বিজিএমইএ’র এই ভবনটি ভাঙা নিয়ে আলোচনা শুরু প্রায় ৯ বছর আগে। ২০১০ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে ভবনটি নির্মাণে রাজউকের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের নজরে আনা হলে ভবনটি কেন ভাঙা হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন আদালত। পরে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ভবনটি ভেঙে ফেলার রায় দেন।
এরপর আপিল ও রিভিউ খারিজে ভবনটি ভাঙার সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে দফায় দফায় সময় প্রার্থনা শুরু করে বিজিএমইএ। সর্বশেষ গত বছরের ৩ এপ্রিল বিজিএমইএ’কে এক বছরের সময় দেন সর্বোচ্চ আদালত। সেই সময় শেষ হওয়ায় এবারে বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হলো। এর মধ্যে অবশ্য উত্তরায় নিজেদের নতুন কমপ্লেক্স তৈরি করেছে বিজিএমইএ। ১৩ তলা ভবনটির ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেখানেই নিজেদের কার্যক্রম স্থানান্তর করেছে বিজিএমইএ।
শীর্ষকাগজ/জে