মঙ্গলবার, ১৮-জুন ২০১৯, ১২:৫১ অপরাহ্ন
  • জাতীয়
  • »
  • কৃষকদের নিয়ে কাদেরের বক্তব্যের নিন্দা জানানোর ভাষা নেই: ফখরুল

কৃষকদের নিয়ে কাদেরের বক্তব্যের নিন্দা জানানোর ভাষা নেই: ফখরুল

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ২৫ মে, ২০১৯ ০১:২৭ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দাতা কৃষক পরিবারের অবস্থা আজ খুবই নাজুক ও দূর্বিসহ। কিন্তু কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশাগ্রস্থ। দেশের প্রায় ১.৫ কোটি কৃষক পরিবারের আজ ত্রাহি অবস্থা। 
শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, খাদ্য শষ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে কৃষকের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে। দেশের কৃষককুল তাদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মুল্য না পেয়ে বহু স্থানে ধানের জমিতে আগুন দিয়ে রাস্তায় ধান ফেলে দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। কৃষকদের বিশেষ করে ধান চাষীদের চাওয়া হচ্ছে-সরকার ন্যায্য মুল্যে চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করুক। কৃষকদের চাওয়া খুবই সামান্য ও যৌক্তিক। আমরা কৃষকদের এই যৌক্তিক দাবির সাথে একমত। 
তিনি বলেন, সরকার কৃষকদের ন্যায্য দাবির কথা কানেও নিচ্ছে না বরং সরকারের একজন মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের কৃষকদের এই বিক্ষোভকে ‘স্যাবোটেজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কৃষকদের বাস্তব এই সেন্টিমেন্টকে সরকার দলীয় শীর্ষ নেতার এহেন মন্তব্যে নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। এদেশের কৃষকদের বর্তমানে যে দুরাবস্থা তা সরকারের ভূল নীতির প্রতিফলন। 
তিনি বলেন, সরকারী ভাষ্য অনুযায়ী দেশ খাদ্যে বিশেষ করে চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পন্ন। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে চাল উৎপাদনের পরিমান ৩ কোটি ৬২ লাখ টন। অথচ এই সময়ে সরকারী চ্যানেলে বা ব্যবস্থায় খাদ্য শষ্য আমদানী হয়েছে ৯৭.৭ লাখ মেঃ টন, যার মধ্যে চাল ৩৮.৯ লক্ষ মেঃ টন এবং গম ৫৮.৮ লক্ষ মেঃ টন। একই সময়ে বেসরকারী চ্যানেলে খাদ্য আমদানীর পরিমান ৮৩.৮ লক্ষ মেঃ টন-যার মধ্যে চাল ৩০.১ লক্ষ মেঃ টন এবং গম ৫৩.৭ লক্ষ মেঃ টন অর্থাৎ সরকারী ও বেসরকারীভাবে মোট খাদ্য শষ্যের আমদানী ছিল (২০১৭-১৮) ১৮১.৫ লক্ষ মেঃ টন - এর মধ্যে চাল আমদানীর পরিমান ৬৯ লক্ষ মেঃ টন। (সূত্র-বাংলাদেশ ইকোনোমিক রিভিউ ২০১৭-১৮)। গত ১০ মাসে ৩ লাখ ৩ হাজার টন চাল আমদানী হয়েছে। আমদানীর অপেক্ষায় রয়েছে ৯৭ হাজার টন চাল। 
শীর্ষকাগজ/জে