সোমবার, ২২-এপ্রিল ২০১৯, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
  • জাতীয়
  • »
  • এফআর টাওয়ারে আগুন নেভানো যন্ত্রের অভাব ছিল: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

এফআর টাওয়ারে আগুন নেভানো যন্ত্রের অভাব ছিল: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:৩০ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: এনামুর রহমান বলেছেন, এফ আর টাওয়ারে ৮ তলা থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সুত্রপাত হয়। সেখান থেকে উপরের দুটি ফ্লোর ৯ ও ১০ তলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভবনটির ১১, ১২ এবং ১৩ তলায় ধোঁয়ার কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 
তিনি বলেন, এফআর টাওয়ারে অগ্নি নির্বাপনের সময় ফায়ার সার্ভিস যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাতে আমরা সন্তষ্ট। আজ আমাদের মিটিংয়ে উপস্থিত মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতিনিধিরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে সেখানে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের অভাব ছিল।
সারা বাংলাদেশে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে আমরা আজকের মিটিংয়ে আলোচনা করেছি। সেখানে ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের উপকরণের অভাব রয়েছে। আমরা প্রথমে ১ হাজার কোটি টাকা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ক্রয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু চুড়িহাট্টা এবং এফআর টাওয়ারের আগুনের ঘটনার পরে আমরা দেখছি এই বাজেটে হবে না।
কারণ আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সেখানে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ভারি যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। বিশ্বে যে পরিমাণ যন্ত্রপাতি আবিস্কার হয়েছে সেগুলো ক্রয় করতে গেলে আরও বড় বাজেটের দরকার হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এজন্য আমরা আগামী ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ন্যাশনাল ডিজাষ্টার ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিলের যে মিটিং হবে সেখানে এ বাজেট বাড়াতে প্রস্তাব পেশ করবো।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় এবং টর্নেডো হয়েছে তাতে সারাদেশে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেসব এলাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার, চাল, টিন এবং নগদ টাকা বরাদ্দ করেছি। আজকের বৈঠকে দেশে দুর্যোগের কারণে যাতে কৃষিতে প্রভাব না পড়ে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
হাওর অঞ্চলে আগাম বন্যায় ক্ষতি যাতে না হয় সেজন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় থেকে এবং সাইক্লোন থেকে উদ্ধারের জন্য আমরা ৪২৩টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ৫৫০টি মুজিব কেল্লা তৈরির জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ২২০ টি সাইক্লোন সেন্টারের কাজ প্রায় শেষের দিকে।
শীর্ষকাগজ/জে