মঙ্গলবার, ২২-জানুয়ারী ২০১৯, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • জাতীয়
  • »
  • রাখাইনের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান ইইউ’র

রাখাইনের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান ইইউ’র

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারী, ২০১৯ ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

শীর্ষকাগজ ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)। নিরাপত্তা চৌকিতে আরাকান আর্মির হামলার প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাখাইনের পরিস্থিতি।মিয়ানমার টাইমস পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সংঘাতে লিপ্ত সব পক্ষকে মানবাধিকার রক্ষার তাগিদ দিয়েছে ওই সংস্থা।
গত ৪ জানুয়ারি মিয়ানমারের ৭১তম স্বাধীনতা দিবসে বুথিয়াডং এলাকার চারটি সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালায় আরাকান আর্মি। হামলার পর সে দেশের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে দাবি করা হয়, হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৯ কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। এক দিনের মাথায় ১৪ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে বিবৃতি দেয় মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়। একই দিনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে ৭ জনকে হত্যার স্বীকারোক্তি দেন আরাকান আর্মির এক মুখপাত্র। তিনি জিম্মিদশায় থাকা 'অন্তত ১২ পুলিশ সদস্য'কে মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। শনিবার নিজদের ওয়েবসাইটে ১৪ পুলিশ সদস্যকে মুক্তি দেয়ার কথা জানায় ওই বিদ্রোহী সংগঠন। এতে আবারও রাখাইন আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
হামলার পর মিয়ানমারের সরকার সেনাবাহিনীকে সব ক্ষমতা ব্যবহার করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে যুদ্ধরত সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়। ইই'র বিবৃতিতে বলা হয় 'রাখাইন রাজ্যের গভীর ঐতিহাসিক সংকটগুলো কেবল সংলাপের মাধ্যমেই সমাধান করা যেতে পারে। একইসঙ্গে সেখানে সব পক্ষের অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন।’
আরাকান আর্মির দাবি, যুদ্ধক্ষেত্রে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ‘ফোর কাটস’ কৌশল ব্যবহার ও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের কারণে শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) তারা চারটি সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে। ১৯৭০ এর দশকে বার্মিজ সোশ্যালিস্ট প্রোগ্রাম পার্টির শাসন চলার সময় ‘ফোর কাটস’ নীতির প্রয়োগ শুরু হয়। জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের খাদ্য, তহবিল, তথ্য ও নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।
শীর্ষকাগজ/এনএস