শনিবার, ২৪-আগস্ট ২০১৯, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • অপরাধ
  • »
  • বিমানবন্দরে বদল হয়ে যাওয়া ব্যাগ ফেরত পেলেন সৌদিপ্রবাসী

বিমানবন্দরে বদল হয়ে যাওয়া ব্যাগ ফেরত পেলেন সৌদিপ্রবাসী

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১১:৩৫ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা : সৌদি আরবের রিয়াদে পরিশ্রমের জমানো টাকা দিয়ে স্বজনদের জন্য কেনা স্বর্ণসহ গত ১২ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (বিজি ০৪০) দেশে ফেরেন গাজীপুরের মো. হাবীব। কিন্তু ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর আন্তর্জাতিক আগমনী টার্মিনালে কাস্টমসের লাগেজ চেকিংয়ের সময় তার হ্যান্ডব্যাগ বদল হয়ে যায়। সেই ব্যাগে স্বর্ণসহ নিয়ে আসা মালামালের দাম ছিল প্রায় এক লাখ টাকা। বিষয়টি তখনই আঁচ করতে পেরে হাবীব জানান বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে।

আর্মড পুলিশ কর্তৃপক্ষ সেদিনের সিসিটিভির ফুটেজের রিভিউ করে দেখে, লাগেজ বুঝে নেওয়ার সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে তার হ্যান্ডব্যাগটি অদল-বদল হয়ে গেছে। তখন সেই ব্যক্তিকে বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যাওয়া গাড়ির চালককে খুঁজে বের করে আর্মড পুলিশ। এরপর ওই চালককে নিয়ে আর্মড পুলিশ সেই ব্যক্তির নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে গিয়ে ব্যাগটি ফেরত আনে এবং ১৫ এপ্রিল (সোমবার) তুলে দেয় হাবীবের হাতে।

হাবীব এ বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশ বিমানে সৌদি আরব থেকে আসি। সে সময় আমার হ্যান্ডব্যাগটি বদল হয় যায়। পুলিশের সহায়তায় তিন দিন পর আমার ব্যাগ ফেরত পাই। আমার হ্যান্ডব্যাগে প্রায় এক লাখ টাকার স্বর্ণ ও কিছু খাবার ছিল। পরিবারের জন্য এনেছি।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন্স অ্যান্ড মিডিয়া) মো. আলমগীর হোসেন  বলেন, যাত্রীদের অভিযোগ পেলে তাদের মালামাল উদ্ধারে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে থাকি। হাবীবের হ্যান্ডব্যাগ খোয়া যাওয়ার অভিযোগের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হই যে, কাস্টমসের লাগেজ চেকিংয়ে এক যাত্রীর সঙ্গে তার ব্যাগ অদল-বদল হয়ে যায়। বিমানবন্দরের বেশিরভাগ গাড়ির নম্বর আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। নম্বর থেকে সেই গাড়ির মালিককে বলে চালককে খুঁজে বের করি। চালক আমাদের নিয়ে যায় সেই যাত্রীর বাড়িতে। ১৫ এপ্রিল আমরা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে সেই ব্যাগটি নিয়ে আসি।

আলমগীর হোসেন আরও বলেন, বিমানবন্দরে কোনো কিছু হারিয়ে গেলে খুঁজে পাওয়া যায় না- এ কথা অতীত। আমরা যাত্রীদের মালামাল খুঁজে পেতে খুবই আন্তরিক। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কাজ শুরু করি। বর্তমানে প্রায় শতভাগ হারিয়ে যাওয়া মালামাল খুঁজে পাওয়া যায়।

শীর্ষকাগজ/এসএসআই