সোমবার, ১৭-জুন ২০১৯, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এক যুগ ধরে অবৈধ ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এক যুগ ধরে অবৈধ ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ০৯ জুন, ২০১৯ ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নানা জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মেসার্স আল-আমিন ফার্মেসি ও আল-আমিন এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। এই ফার্মেসিকে যখন সরকারি হাসপাতালে ব্যবসা চালানোর সুযোগ দেয়া হয় ওই সময় তাদের ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ ছিল না। এমনকি ফার্মেসিটির ড্রাগ লাইসেন্সও ছিল না। সর্বোচ্চ আদালত থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পর্যন্ত অবৈধ এই প্রতিষ্ঠান দুটি উচ্ছেদের নির্দেশ দিলেও ১০ বছরেও তা কার্যকর হয়নি। এমনকি অবৈধভাবে এই প্রতিষ্ঠান দুটিকে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়া এবং মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষা করায় হাসপাতালের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর শাস্তি হলেও বহাল তবিয়তেই রয়ে গেছে আল আমিন ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট। অন্যদিকে ন্যায় বিচারের আশায় দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট পরিচালনার প্রকৃত অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী হাসান মনসুর শাহীন। জানা গেছে, আল আমিন ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্টকে অবৈধভাবে দশ বছরের জন্য ব্যবসা চালানোর যে অনুমতি দেয়া হয়েছিল সেই সময়ও ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। তারপরও এখন কিভাবে এই প্রতিষ্ঠান দুটো বহাল তবিয়তে আছে তা কেউ বলতে পারছেন না।
সূত্রমতে, ভর্তিকৃত রোগীদের ন্যায্যমূল্যে ওষুধ ও খাবার সরবরাহ করার জন্য হাসপাতালের অভ্যন্তরে ফার্মেসি ও ক্যান্টিন বরাদ্দ দেয়ার বিধান রয়েছে। ওই বিধান অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০০৩ সালের ৫ মে মেসার্স শাহীন ফার্মেসি ও মেসার্স এস আর এন্টারপ্রাইজকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ফার্মেসি ও ক্যান্টিন পরিচালনার অনুমতি দেয়। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক খালি জায়গা না থাকার অজুহাতে টালবাহানা করে এক বছর পার করে দেয়। এরপর ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট স্থানীয় এমপির উপস্থিতিতে স্বাস্থ্য সেবা কমিটির মিটিংয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশের খালি জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই জায়গায় নিজ খরচে অবকাঠামো নির্মাণে রাজি হয়ে ফার্মেসির জন্য এক লাখ টাকা এবং রেস্টুরেন্টের জন্য ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দেয় শাহীন ফার্মেসি ও এস আর এন্টারপ্রাইজ। কিন্তু নির্মাণ কাজের প্রায় ৮০ ভাগ শেষ হলে হঠাৎ করে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ২০০৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক ডা. জাহাঙ্গীর চৌধুরী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেন। 
 এই স্থগিতাদেশে দুই বছর পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না করে এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নিজের খেয়াল খুশিমতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মেসার্স আল আমিন ফার্মেসিকে ১০ বছরের জন্য লিজ দেয়ার বন্দোবস্ত করেন। ওই সময় তিনি বিএনপির ওলামা দলের নেতা মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির মালিক গোলাম মুর্তজাকে নিয়ম বহির্ভুতভাবে এক রাতের মধ্যে হাসপাতালের অভ্যন্তরে অন্য একটি কক্ষে ফার্মেসি ও ক্যান্টিন পরিচালনার জন্য ব্যবস্থা করে দেন। হাসান মনসুর শাহীন অভিযোগ করেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. জাহাঙ্গীর চৌধুরী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মেয়াদ উত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্স ও ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন মেসার্স আল আমিন ফর্মেসিকে ওষুধের দোকান বরাদ্দ প্রদান করেন। যার কারণে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক চাকরিচ্যুত হন। অথচ তিনি চাকরিচ্যুত হলেও অবৈধ প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল আমিন ফার্মেসি ১৩ বছর যাবত হাসপাতালের অভ্যন্তরে বহাল তবিয়তে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। 
জানা যায়, ওই সময় আল আমিন ফার্মেসিকে অবৈধভাবে বরাদ্দ দেয়ার জন্য অবৈধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় পত্রিকায় না দিয়ে শুধু নোয়াখালীর স্থানীয় দুটি পত্রিকায় ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্টের জন্য কোটেশন আহ্বান করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক। এখানে পিপিআর লঙ্ঘন করে জালিয়াতির আশ্রয় নেয়া হয়। আইন অনুযায়ী কোটেশন দাখিলের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাল থেকে ২১ দিন সময় দেয়ার কথা থাকলেও জালিয়াতির জন্য ওই বিজ্ঞপ্তিতে মাত্র ৮ দিন সময় দেয়া হয়। শুধু তাই নয় বরাদ্দ বৈধ করতে আল আমিন ফার্মেসি ও আল আমিন এন্টারপ্রাইজ তার নিজস্ব ৩ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ভিন্ন ভিন্ন কোটেশন দাখিল করে। যার ৩ টি দরপত্রের সঙ্গে দাখিল করা সব সনদপত্র ভুয়া ও জাল। এমনকি মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির দাখিলকৃত দরপত্রের সাথে ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স ছিলো না। ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্সবিহীন এই আল আমিন ফার্মেসির কোটেশনই অনুমোদন করা হয় জালিয়াতির মাধ্যমে। তাদের প্রতিষ্ঠান দুটিকেই অবৈধভাবে ১০ বছরের জন্য ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়। জালিয়াতির মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া এই প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ বাতিলের জন্য ২০০৯ সালে নির্দেশ জারি করে মন্ত্রণালয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত রহস্যজনক কারণে প্রতিষ্ঠান দুটিকে উচ্ছেদ করা তো দূরের কথা ২০১৬ সালে সেই অবৈধ মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই ব্যবসা চালাচ্ছে তারা।
হাইকোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষিত
মেসার্স আল-আমিন ফার্মেসি ও আল-আমিন এন্টারপ্রাইজকে অবৈধভাবে দেয়া ফার্মেসি ও ক্যান্টিনের বরাদ্দ বাতিলের জন্য ২০০৬ সালে নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকেও দফায় দফায় এই অবৈধ বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দেয়া হয়। হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম জাহাঙ্গীর চৌধুরী কর্তৃক ব্যাপক দুর্নীতি অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৪ টি আদেশ এবং হাইকোর্টের নির্দেশমূলক আদেশ বাস্তবায়ন না করে হাসপাতালের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দের চুক্তিপত্র কেন বাতিল করা হবে না- ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি সে সম্পর্কে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়। ওই নোটিশে এই বরাদ্দে অন্তত ২০ টি অনিয়ম দুর্নীতি জালিয়াতির তথ্য প্রমাণ তুলে ধরে মন্ত্রণালয়। ১০ দিনের মধ্যে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত ওই নোটিশের জবাব তো মেলেইনি ফার্মেসি এবং রেস্টুরেন্টও উচ্ছেদ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার প্রাপ্তির দাবি জানিয়ে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছেন হয়রানির শিকার শাহীন ফার্মেসির মালিক হাসান মনসুর শাহীন। দুদকে দেয়া ওই আবেদনে পুরো ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ট্রেড লাইসেন্স ও ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন আল আমিন ফার্মেসিকে টেন্ডারের অনুমোদন দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত মেসার্স শাহীন ফার্মেসি ও এস আর এন্টারপ্রাইজকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এ অবস্থায় অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। 
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ২০ অভিযোগের প্রমাণ
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মেসার্স আল আমিন ফার্মেসি ও আল আমিন এন্টারপ্রাইজকে ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দে অনিয়ম দুর্নীতি জালিয়াতি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি একটি প্রতিবেদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মেসার্স আল আমিন ফার্মেসি ও আল আমিন এন্টারপ্রাইজকে ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দে অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। অনিয়মের বিবরণে বলা হয়, বরাদ্দ নিয়ে মেসার্স শাহীন ফার্মেসির রিট মামলা নিষ্পত্তি না করেই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দের জন্য স্থানীয় দুটি পত্রিকায় কোটেশন আহ্বান করে। বিজ্ঞপ্তিতে দরপত্র গ্রহণের জন্য ৮ দিন সময় দেয়া হয়। অথচ পিপিআর অনুযায়ী ২১ দিন সময় দেয়ার কথা। কোটেশন আহ্বানের বিজ্ঞপ্তি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করাও বিধিসম্মত ছিল না। ওষুধের দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে ৩ টি আবেদনপত্রের মধ্যে মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা হলেও তার নির্ধারিত ফরমে কোনো আবেদন নেই। নির্ধারিত ফরমে আবেদন না থাকা সত্ত্বেও তাকে কীভাবে সুপারিশ করা হলো তা স্পষ্ট নয়। শর্তানুযায়ী দাখিলকৃত অন্যান্য কাগজপত্রের মধ্যে মেসার্স আল আমিন ফার্মেসি , মোঃ সামসুল করিম ও নুরুল ইসলাম ৩ টি প্রতিষ্ঠানই ইসলামী ব্যাংক, মাইজদী কোর্ট শাখা কর্তৃক একই তারিখে একই স্মারকে ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করেছে। তিনটি প্রতিষ্ঠানের একই ব্যাংক এবং একই শাখা থেকে একই তারিখে একই স¥ারকে ৩ টি প্রত্যয়নপত্র কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। এই বিশ্লেষণে ব্যাংক প্রত্যয়নপত্র সঠিকভাবে যাচাই না করে অনিয়ম করা হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আল আমিন ফার্মেসি ও নুরুল ইসলাম দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দরপত্র জমা দিয়েছে। কিন্তু এই দুটি প্রতিষ্ঠানের টিন নম্বর একই। শুধু তাই নয় একই কর অঞ্চলের আওতায় একই তারিখে একই নম্বরে দুটি আয়কর প্রত্যয়নপত্র কীভাবে দেয়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। নুরুল ইসলামের ভ্যাট সনদপত্র, মোঃ সামসুল করিমের ভ্যাট সনদপত্র ও মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির ভ্যাট সনদপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে একই তারিখে (০২-০১-২০০৬) জারিকৃত। ৩ টি ভ্যাট সনদপত্রেই একই টিন নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া এলাকা কোড ও সনাক্তকরণ সংখ্যা পেস্ট করে বিভিন্নরূপে বসানো হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় সনদপত্র ৩ টি অনিয়মের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়েছে। 
একটি প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র নেই এবং অপর দুটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনপত্রে ওষুধের মূল্য ছাড়ের উদ্ধৃতি এর বিষয়টি ভিন্ন কালিতে ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে। দরপত্রে কীভাবে ভিন্নকালিতে ভিন্নভাবে লেখা হয় তা স্পষ্ট নয়। নুরুল ইসলাম ও মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির ট্রেড লাইসেন্স নেই। তবে আল আমিন এন্টারপ্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া মেসার্স আল আমিন ফার্মেসিকে কীভাবে ওষুধের দোকান বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। মেসার্স আল আমিন ফার্মেসির কোনো ড্রাগ লাইসেন্স সংযুক্ত করা হয়নি। তবে আল আমিন ফার্মেসির অনুকূলে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি নোয়াখালী জেলা শাখা কর্তৃক সূত্রবিহীন প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। 
এদিকে অবৈধভাবে ১০ বছরের জন্য মেসার্স আল আমিন ফার্মেসি ও এন্টারপ্রাইজকে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়া হলেও অবৈধ সেই চুক্তির মেয়াদও ২০১৬ সালে শেষ হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই তারা ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে।
এমন অবস্থায় নোয়াখালীর বিশিষ্ট ওষুধ ব্যবসায়ী হাসান মনসুর শাহীন দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্যাতনের শিকার হয়ে অবশেষে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ২০ মে ২০১৯ প্রকাশিত)