মঙ্গলবার, ২০-নভেম্বর ২০১৮, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় আজিজ খান: করফাঁকি ও অর্থ পাচার বিতর্ক তুঙ্গে

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় আজিজ খান: করফাঁকি ও অর্থ পাচার বিতর্ক তুঙ্গে

Shershanews24.com

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম। তিনি এ তালিকার ৩৪ নম্বরে আছেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক শীর্ষ ধনীদের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। সিঙ্গাপুরে আজিজ খান ও তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৯১ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকার সমান। 
গত ২৫ জুলাই পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে তার এই সম্পদের হিসাব পেয়েছে ফোর্বস। এই পরিমাণ অর্থ চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে বিদেশি অনুদানের দ্বিগুণ। এমনকি পদ্মা সেতুতে যে বিশাল ব্যয় হচ্ছে এর প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ।
তবে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় নাম আসার মধ্য দিয়ে আজিজ খানের কর ফাঁকি, অনুমতি ছাড়া বিদেশ অর্থ বিনিয়োগ ও অর্থপাচারের বিষয়গুলো সামনে এসে গেছে এবং এগুলো এখন আলোচনার তুঙ্গে। ইতিপূর্বে বহুল আলোচিত পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে আজিজ খানের নাম এসেছিল। তিনি বাংলাদেশ সরকারের বড় অংকের কর ফাঁকি দিয়েছেন এবং বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন সেই তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিল পানামা পেপারস। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তাকে এ নিয়ে কোনো বেগ পেতে হয়নি। এখন সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তারিকায় নাম প্রকাশের মধ্য দিয়ে পানামা পেপারসের সেই তথ্যই সঠিক বলে প্রমাণিত হলো। যদি আজিজ খান এই বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন যে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ভিত্তিতেই তাকে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে এমন যুক্তি হাস্যকর। বাংলাদেশে বিনিয়োগের হিসাবের ওপর ভিত্তি করে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তারিকায় স্থান দেওয়ার বক্তব্যকে ‘গাঁজাখুরি গল্প’ বলে আখ্যায়িত করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আজিজ খানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ফোর্বস সম্পদের যে হিসাব দিয়েছে তা শুধু সামিটের বিদ্যুৎ ব্যবসার। এখানে অন্যান্য খাতের ব্যবসার সম্পদের হিসাব যুক্ত হয়নি। সামিটের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহসেনা হাসান জানান, “তালিকায় আজিজ খানের শুধুমাত্র ‘পাওয়ার এসেট’ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, যার মূল্য ৯১০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশে তার পারিবারিক সম্পদের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন ডলারের সমান।” অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আজিজ খান বলেছেন, “তালিকায় আসতে পেরে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও খুশি হয়েছি।”
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম-সভাপতি ম-লীর সদস্য ও ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল মেয়াদে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা কর্নেল (অব.) ফারুক খানের ভাই ৬৩ বছর বয়সী আজিজ খান। এক দশকের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস, অবকাঠামো খাতের ব্যবসা আছে সামিট গ্রুপের। সম্প্রতি এই গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিঙ্গাপুর স্টক এক্সচেঞ্জে (এসজিএক্স) তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বড় বিনিয়োগের জন্য এসজিএক্স থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে সামিটের। এ বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে রয়টার্সকে আজিজ খান বলেছেন, “বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেক ছোট। আমাদের বিনিয়োগের জন্য আরও অনেক বেশি অর্থ প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য এটি ভালো জায়গা।”
সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সিঙ্গাপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে আছেন আজিজ খানের মেয়ে আয়েশা আজিজ খান। সামিট গ্রুপের বার্ষিক আয়ের পরিমাণ প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। সামিটের মালিকানা আছে এমন তিনটি কোম্পানি দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। কোম্পানিগুলো হচ্ছে সামিট পাওয়ার, সামিট পোর্ট অ্যালায়েন্স ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল)। গ্রুপটি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার থেকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের এই শিল্প গ্রুপ সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল নামে সিঙ্গাপুরে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করে। ফোর্বস প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশটিতে আজিজ খান ও তার পরিবারের মালিকানাধীন সামিটের এই বিপুল পরিমাণ সম্পদের উৎস নিয়ে বিভিন্নমহলে প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে ২০১৬ সালে কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে অর্থপাচারের গোপন তথ্য ফাঁস হওয়া সংক্রান্ত পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতেও আজিজ খান ও তার পরিবারের নাম এসেছিলো।
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বলছে, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কোম্পানি সামিট গ্রুপকে বিনিয়োগের জন্য বৈধভাবে দেশ থেকে টাকা নেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়নি। এমনকি বিদেশে এ ধরনের বড় বিনিয়োগের জন্য গ্রুপটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো আবেদনও করেনি।  
আর তাই বিদেশে সামিটের এই বিপুল সম্পদের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব পাওয়া সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছে এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে সব ধরনের সম্পদ আয়কর ফাইলে দেখাতে হয়। তা না হলে ফাইল পূর্ণাঙ্গ হয় না। বাংলাদেশ থেকে কেউ বিদেশে বিনিয়োগ করলে অবশ্যই তা আয়কর ফাইলে উল্লেখ করতে হবে। এই আয়, করযোগ্য না হলেও সম্পদ বিবরণীতে তা উল্লেখ করতে হবে। এক্ষেত্রে সামিটের আয়কর ফাইলে সিঙ্গাপুরে বিনিয়োগের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বিদেশে বিনিয়োগের কোনও সুযোগ নেই। এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। যা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অথচ এরমধ্যে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ সামিট গ্রুপ সিঙ্গাপুরে নিয়েছে সেই প্রশ্ন এখন বড় আকারে এসেছে। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন- তাহলে সিঙ্গাপুরে সামিট গ্রুপের এই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ কি অবৈধ?
আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের তদন্ত শুরু 
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের প্রভাবশালী অর্থ বাণিজ্যের সাময়িকী ফোর্বস এর প্রতিবেদনে সিঙ্গাপুরের ধনীদের তালিকায় আজিজ খানের নাম আসায় এখন নড়েচড়ে বসেছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা। ওই তালিকায় সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ জন ধনী ব্যবসায়ীর মধ্যে আজিজ খানের নাম রয়েছে ৩৪ নম্বরে। দেশটিতে এই গ্রুপটির সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯১ কোটি মার্কিন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বৈধভাবে বিদেশে স্থানান্তরের সুযোগ কতটা রয়েছে-জানতে চাইলে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে বিদেশে টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কাউকে এ ধরনের অনুমোদন দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সামিট গ্রুপের ব্যাপারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরনের উন্মুক্ত উৎস (ওপেন সোর্স) থেকে সংবাদ এলে অবশ্যই তা খতিয়ে দেখা হয়। তাই আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এটি আমাদের নিয়মিত কাজের অংশ।
এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, বিদ্যমান আইনে এ ধরনের ঘটনা আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট তদন্ত করে। এছাড়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগও (সিআইডি) বিষয়টি তদন্ত করতে পারে। আর এই দুই সংস্থা থেকে কোনো ধরনের সুপারিশ এলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে দুদক। তিনি বলেন, এর বাইরে দুদকের কিছু করার নেই।
আয়কর ফাইলে উল্লেখ নেই
বাংলাদেশি কোনো ব্যক্তির বিদেশে বিনিয়োগ বা সম্পদ থাকলে তা অবশ্যই আয়কর ফাইলে উল্লেখ করতে হবে। এক্ষেত্রে সামিটের আয়কর ফাইলে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সামিট গ্রুপ থেকে বিষয়টি অস্বীকার করা হয়নি। তারা বলেছে, তারা বৈধভাবে সেখানে বিনিয়োগ করেছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআরকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে কেউ বিদেশে বিনিয়োগ করলে অবশ্যই তা আয়কর ফাইলে উল্লেখ করতে হবে। এই আয়, করযোগ্য না হলেও সম্পদ বিবরণীতে তা উল্লেখ করতে হবে। এতে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে দ্বৈতকর পরিহার চুক্তির (ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়ডেন্স এগ্রিমেন্ট) সুযোগ রয়েছে। সামিটের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই চুক্তি থাকলেও আয়কর ফাইলে বলতে হবে। এখানে স্পষ্ট করে বলতে হবে আমি ওই দেশে কর দিয়েছি। যে কারণে বাংলাদেশে আমার এই সম্পদ করযোগ্য নয়।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (বিডা) নাভাস চন্দ্র ম-ল বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ নেই। তবে এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে। এখনও তা চূড়ান্ত হয়নি। তবে কেস টু কেস ভিত্তিতে বিশেষ বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সামিটকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে কি না তা বাংলাদেশ ব্যাংকই বলতে পারবে।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের  যেকোনো নাগরিককে সব ধরনের সম্পদ আয়কর ফাইলে দেখাতে হয়। তা না হলে ফাইল পূর্ণাঙ্গ হয় না। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিদেশে সম্পদ থাকতে পারে। তবে সেটি অবশ্যই আয়কর ফাইলে দেখাতে হবে।
পানামা পেপারস কেলেঙ্কারি
দুই বছর আগে কর ফাঁকির ১ কোটি ১৫ লাখ গোপন তথ্য ফাঁস করে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে)। বিশ্বজুড়ে পানামা পেপারস কেলেঙ্কারি নামে পরিচিতি পাওয়া ওই তালিকায় ৩২ বাংলাদেশি ব্যক্তি ও দুই  কোম্পানির নাম আসে। ওই তালিকায় সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও তার পরিবারের নামও এসেছিলো। তবে কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে আজিজ খান ও তার পরিবার জড়িত নয় বলে  সে সময় জানানো হয়। পানামা পেপারস নামে পরিচিতি পাওয়া এ গোপন দলিলপত্রকে এযাবৎ কালের সবচেয়ে ব্যাপক গোপন তথ্য ফাঁসের ঘটনা বলা হচ্ছে। এতে ক্ষমতাধর রাজনীতিক থেকে শুরু করে নামকরা সেলিব্রেটি অনেকের কর ফাঁকির গোপন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পানামার একটি লিগ্যাল ফার্ম ‘মোসাক ফনসেকা’ থেকে এসব গোপন দলিল ফাঁস হয়ে যায়। একটি জার্মান সংবাদপত্রের হাতে এসব দলিল আসার পর ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে) তা শেয়ার করে বিশ্বের ১০৭টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। তাদের এক বছরের অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসে কর ফাঁকির এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। আইসিআইজের ওয়েবসাইটে কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে অর্থপাচারে জড়িত ৩২ বাংলাদেশি ব্যক্তি ও দুই কোম্পানির নাম প্রকাশ করা হয়।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ২৭ আগস্ট ২০১৮ প্রকাশিত)