সোমবার, ১৯-আগস্ট ২০১৯, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • গ্যাজপ্রম পাঁচ বছরে সরকারের হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে

গ্যাজপ্রম পাঁচ বছরে সরকারের হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে: বাংলাদেশের স্থলভাগের গ্যাস অনুসন্ধান কাজে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের পাশাপাশি রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রম এবং চিনা সিনোপ্যাক- এই দু’টি বিদেশি কোম্পানিও ঠিকাদার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে। কিন্তু, বিদেশি প্রতিষ্ঠান দু’টি সরাসরি কুপ খনন কাজে অংশগ্রহণ করছে না, অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাব-কন্ট্রাক্ট দিয়ে কাজ করায় অর্থাৎ এতে তারা মধ্যসত্ত্বভোগীর ভুমিকা পালন করে। দেখা যাচ্ছে, গ্যাজপ্রম ও সিনোপ্যাকের কুপ খনন খরচ অস্বাভাবিক বেশি, অন্যদিকে পারফরমেন্সও বাপেক্সের তুলনায় খারাপ। শুধু তাই নয়, এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, গ্যাজপ্রম ও সিনোপ্যাক যেখানে ব্যর্থ, বাপেক্স তাতে সফলতা দেখিয়েছে। তারপরও বিদেশি প্রতিষ্ঠান দু‘টিকে কুপ খননের ঠিকাদারি কাজ দেয়া হচ্ছে একের পর এক, তাও টেন্ডার বা প্রতিযোগিতামুলক দর যাচাই করা ছাড়াই। এতে সরকারের বড় অংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
বিশেষ করে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রম এভাবে সরকারের শ’ শ’ কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে। গত চার বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে শুধু রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমই। কিন্তু, প্রতিষ্ঠানটি কুপ খনন কাজে বরং আনাড়ী অর্থাৎ চরম অনভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে। এদের হাতে খনন হওয়া ৯টি কুপের মধ্যে ৪টি কুপই উৎপাদনে যাওয়ার কিছুদিনের মাথায় অকেজো বা পরিত্যক্ত হয়ে যায়। পরবর্তীতে বাপেক্স নিজস্ব জনবল, যন্ত্রপাতি ও কারিগরি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে পরিত্যক্ত এই কুপগুলো পুনরায় উৎপাদনে আনতে সক্ষম হয়। তারপরও সরকারের একটি প্রভাবশালী মহল বাপেক্সের পরিবর্তে ওই বিদেশি কোম্পানিকে কুপ খননের কাজ দেয়ার জন্য অতি উৎসাহী।  
জানা গেছে, বিদেশি কোম্পানির এই লুটপাটের সঙ্গে সরকারের প্রভাবশালী একটি মহল জড়িত। দায়মুক্তি আইনের ফাঁকে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাশিয়ান এই প্রতিষ্ঠানটিকে গত পাঁচ বছরে ১৫টি কুপ খননের ঠিকাদারি দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তারা ৯টি কুপ খনন সম্পন্ন করেছে। এ বাবদ খরচ হিসেবে সরকারের কাছ থেকে ১ হাজার ৬শ’ ৫৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা নিয়েছে। অথচ বাপেক্সকে দিয়ে খনন করানো হলে এতে সর্বোচ্চ খরচ হতো ৭শ’ ২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, এই ৯টি কুপ খনন বাবদ গ্যাজপ্রম সরকারের কাছ থেকে ৯৩৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে।
বিতর্কিত কোম্পানি গ্রাজপ্রমের আবির্ভাব যেভাবে
সরকার ২০১০ সালে দ্রুত বিদ্যুৎ, জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন পাস করে, যা দায়মুক্তি আইন নামে পরিচিত। এই আইনের অপব্যবহার করেই ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল টেন্ডার ছাড়াই গ্যাজপ্রমকে ১০টি কুপ খননের কাজ দেয়া হয়। এই ১০টি কুপের চুক্তিমুল্য ধরা হয় ৯ কোটি ৩২ লাখ ১৩ হাজার ৩শ’ ২১ ডলার। এরপর ২০১৫ সালের ৩১ এপ্রিল আরো ৫টি কুপ খননের কাজ দেয়া হয় গ্যাজপ্রমকে। এক্ষেত্রে চুক্তিমুল্য ধরা হয় ৯ কোটি ৬২ লাখ ২৯ হাজার ৩শ’ ৯৮ ডলার।
জানা গেছে, প্রথম দফায় গ্যাজপ্রমকে যে ১০টি কুপ খননের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো তাতে তারা অনভিজ্ঞতার পরিচয় দেয়। তাছাড়া গ্যাজপ্রম নিজেরা কুপ খনন করেও না। এরিয়েল নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্যাজপ্রম কুপ খননের কাজ করে থাকে। কিন্তু, এরিয়েল যথাযথ পদ্ধতিতে কুপ খনন করতে ব্যর্থ হয়। তারপরও গ্যাজপ্রমকে পরবর্তীতে আরো ৫টি কুপ খননের কাজ দেয়া হয় সম্পুর্ণ অবৈধ ও অযৌক্তিকভাবে।
কুপ খননে কার ব্যয় কত  
বাপেক্সের চেয়ে সিনোপ্যাক দেড় গুণ বেশি খরচে এবং গ্যাজপ্রম প্রায় দুই গুণ বেশি খরচে কুপ খনন করে। অথচ সাফল্য বাপেক্সেরই বেশি।
গ্যাজপ্রমের একটি কুপ খননে গড়ে ব্যয় হয়ে থাকে ১৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোপ্যাকের ব্যয় হয় ১১৬ কোটি টাকা। আর বাপেক্সের কুপপ্রতি খনন ব্যয় হয় ৭৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে গ্যাজপ্রম ৫টি কুপ (শ্রীকাইল-৩, সেমুতাং-৬, বেগমগঞ্জ-৩, শাহবাজপুর ৩ এবং ৪) খনন করে। এগুলো বাপেক্সের আওতাধীন কুপ। এই ৫টি কুপে মোট খনন ও কম্পিøশন খরচ হয় ৯১৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অথচ এই ৫টি কুপ থেকে এ পর্যন্ত আয় হয়েছে মাত্র ৮৮ কোটি ২২ লাখ টাকা।
বিজিএফসিএল-এর আওতাধীন ৪টি কুপ (তিতাস ১৯, ২০, ২১ ও ২২) খনন করেছে গ্যাজপ্রম। এই ৪টি কুপে মোট খরচ হয়েছে ৭৪৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এই ৪টি কুপে এ পর্যন্ত আয় হয়েছে ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মাত্র।  
এই ৯টি কুপে রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমকে দিতে হয়েছে ১ হাজার ৬৫৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যয় ছিল তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২১ নম্বর কুপ খননে, ১৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আর সর্বোচ্চ ব্যয় ছিল তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২০ নম্বর কুপে, ২৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
গ্যাজপ্রম যেখানে ব্যর্থ, সেখানে দায়িত্ব নিতে হচ্ছে বাপেক্সকেই
জানা গেছে, বাপেক্সের মালিকানাধীন যে পাঁচটি কুপ খনন করেছে গ্যাজপ্রম তারমধ্যে তিনটি কুপই কিছুদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাজপ্রম সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রের ৬ নম্বর কুপটি ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করে। ২০১৪ সালের ১২ এপ্রিল এ কুপ থেকে গ্যাসও উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু আট মাসের মাথায় এ কুপে গ্যাসের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি ও বালু ওঠায় ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর গ্যাস উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ধরা পড়ে, এ কুপে অতি নিম্নমানের সিমেন্টিং ব্যবস্থা দিয়ে কুপের নিরাপত্তা ব্যুহ নির্মাণ করা হয়েছিল। ৩ ডিসেম্বর, ২০১৪ পর্যন্ত এ কুপ থেকে ০.৮০৬ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। বাপেক্সের মার্জিন অনুযায়ী এর মূল্য মাত্র ২ কোটি ১ লাখ টাকা। অর্থাৎ ১৮২ কোটি ৬ লাখ টাকা খরচ করে মাত্র ২ কোটি ১ লাখ টাকার গ্যাস পাওয়া গেছে।
সুত্র জানায়, বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কুপটি গ্যাজপ্রম ১৭১ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে খনন করে। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ থেকে এ কুপে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলেও অল্পদিনের ব্যবধানে গ্যাসের চাপ মাত্রাতিরিক্ত কমে যায়। গত বছরের ২৯ জুলাই কুপটি থেকে গ্যাস উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। ২৯ জুলাই পর্যন্ত এই কুপ থেকে মাত্র ০.৮৭৬ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। বাপেক্সের মার্জিন অনুযায়ী এর মূল্য ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা মাত্র। অর্থাৎ ১৭১ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় করে এক্ষেত্রে মাত্র ২ কোটি ১৯ লাখ টাকার গ্যাস পাওয়া গেছে। এরপরই বন্ধ হয়ে গেছে।
ভোলার শাহবাজপুরে ৪ নম্বর কুপটি খনন করতে গ্যাজপ্রমকে দেওয়া হয় ২০২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আট মাসের মাথায় এ কুপ থেকে মাত্রাতিরিক্ত বালু আসা শুরু করে। ২৮ জানুয়ারি, ২০১৬ সেখানেও গ্যাস উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভোলায় অবস্থিত ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বিঘিœত হয়। এত অল্প সময়ে এ রকম একটি কুপের এমন পরিস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্যাসের স্তরের নিচে একটি পানির স্তর ছিল। যথাযথভাবে গ্যাসকুপটি সিমেন্টিং না করতে পারায় গ্যাসের সঙ্গে অল্পদিনের মাথায় মাত্রাতিরিক্ত পানি আসতে শুরু করে। ২৮ জানুয়ারি, ২০১৬ পর্যন্ত এই কুপ থেকে ৩.৭৩২ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলিত হয়, যার মূল্য ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে ২০২ কোটি টাকা ব্যয় করে মাত্র ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকার গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে। এরপর কুপটি বন্ধ হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে বাপেক্স গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ কুপটি ওয়ার্কওভার করে ফের গ্যাস উৎপাদন শুরু করে। পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহও শুরু হয়।
বিজিএফসিএল-এর যে ৪টি কুপ গ্যাজপ্রম খনন করে তারমধ্যেও একটি কুপের উৎপাদন কিছুদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়। বিজিএফসিএল এর তিতাস-২১ নম্বর কুপটি গ্রাজপ্রমের মাধ্যমে খনন করতে ১৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকা খরচ হয়। ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর এ থেকে উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু, মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই ১. ৮৬৩৬ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলনের পর গ্যাসের সাথে অতি মাত্রায় পানি ও বালি আসতে শুরু করায় উৎপাদন বন্ধ করতে হয়। ৬ মাসে এ কুপ থেকে মাত্র ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে।
পরবর্তীতে বাপেক্সের মাধ্যমে কুপটিকে উৎপাদনে আনার জন্য ওয়ার্কওভার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয় এবং ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়। বাপেক্স ওয়ার্কওভার কার্যক্রম করার পর গত বছরের ১৬ জুন থেকে আবার উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে এই কুপ থেকে ৭.৮৬ এমএমসিএফ হারে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।
কার স্বার্থে?
খরচ কম সাফল্য বেশি, তারপরও বাপেক্সকে দূরে রাখা হয় বারে বারে। একের পর এক কাজ দেয়া হয় বিদেশি মাফিয়াচক্রকে। কার স্বার্থে? স্বাভাবিকভাবেই এ প্রশ্ন সামনে এসে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্য ‘রূপকল্প ২০২১’-এর আওতায় ২০১৫ সালে জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে স্থলভাগে ১১০টি কুপ খনন ও তিন হাজার কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক জরিপ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। ১১০টি কুপের মধ্যে ৫৫টি অনুসন্ধান কুপ, ৩২টি উন্নয়ন কুপ ও ২৩টি ওয়ার্কওভার কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উন্নয়নের এসব কাজ বাপেক্সকে দিয়ে করানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সরকার। এ লক্ষ্যে গত বছরের জুন থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২২টি অনুসন্ধান কুপ, তিনটি উন্নয়ন কুপ, তিনটি কুপের ওয়ার্কওভার ও তিন হাজার কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক জরিপের কার্যক্রম হাতে নেয় বাপেক্স। বাপেক্স নিজস্ব পাঁচটি রিগের মাধ্যমে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উন্নয়নের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার প্রস্তুতি নেয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সাতটি ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আটটি কুপ খনন করার পরিকল্পনা করে। বিদেশ থেকে ভাড়া করা রিগের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের ভেতর ৯টি কুপ খননের পরিকল্পনা নেয় তারা। এ সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাপেক্সের যোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ গত পাঁচ বছরে বাপেক্স ৩০টি কুপ খনন করেছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশ নিয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি ক্রিস এনার্জির মালিকানাধীন বাংলাদেশের বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্রের দুটি কুপ খনন সম্পন্ন করেছে।
এতোসব সক্ষমতা, যোগ্যতার প্রমাণ রাখার পরও বাপেক্স নিয়ে নানান রকমের ষড়যন্ত্র চলছে এখনো। বাপেক্সের পরিবর্তে বিদেশি মাফিয়া কোম্পানিকে নতুন গ্যাসকুপ খননের কার্যাদেশ দেয়ার গোপন চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
(সাপ্তাহিক শীর্ষ কাগজে ২০১৭ সালের  ৬ মার্চ প্রকাশিত)