বুধবার, ২১-নভেম্বর ২০১৮, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
  • জেলা সংবাদ
  • »
  • চট্টগ্রামের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী ঢাকায় গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী ঢাকায় গ্রেপ্তার

Shershanews24.com

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০৭:১০ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, চট্টগ্রাম : দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. জোবায়ের প্রকাশ ওরফে মো. রেদোয়ানকে (৫৫) ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম বুধবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। 
বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর জোন) এস এম মোস্তাইন হোসাইন এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী জোবায়ের ওরফে রেজোয়ান ওরফে রেদোয়ানের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হয়ে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যাবার খবর পেয়ে বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় বুধবার রাতে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। রেদোয়ান ইয়াবার একটি বড় চালান উদ্ধার মামলার অন্যতম আসামি।
এস এম মোস্তাইন হোসাইন আরও জানান, গত ৪ঠা মে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার শ্যামলী হাউজিং সোসাইটির একটি বাসা থেকে প্রাইভেটকারসহ ১৩ লাখ ইয়াবাসহ রাশেদ মুন্না ও মো. আশরাফ নামে দুইভাইকে গ্রেপ্তার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। 
তাদের বাড়ি বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায়। পরে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তারা জানায়, ইয়াবা পাচারের সঙ্গে মাদক সম্রাট রেদোয়ানও জড়িত। কিন্তু আত্মগোপনে থাকায় রেদোয়ানকে খুঁজে পাচ্ছিল না পুলিশ। 
রাশেদ মুন্না ও মো. আশরাফের দেয়া তথ্যমতে, আব্দুর রহিম নামে এক রোহিঙ্গা ও রেদোয়ানের যোগসাজশেই ইয়াবা ব্যবসা চালাতেন তারা।
আব্দুর রহিম মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আনলে সেগুলো চট্টগ্রামে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দিতেন রেদোয়ান। আব্দুর রহিমের শ্যালক রাশেদ মুন্না ইয়াবার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্বে ছিলেন। ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা সংগ্রহ করে অবৈধভাবে বার্মা অবস্থানকারী আব্দুর রহিম এর কাছে পাচার করত রাশেদ মুন্না। 
পুলিশ জানায়, ১৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয় আশরাফ আলীর বাসা থেকে। মিয়ানমার থেকে আনা ইয়াবা আশরাফ আলীর বাসায় রেখে এর আগেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেছেন তারা। আশরাফ আলী জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী দলের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। 
একইভাবে গ্রেপ্তার হওয়া রেদোয়ানও আন্তজার্তিক মাদক পাচার দলের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার মিয়ানমার থেকে রহিমের আনা ইয়াবা গ্রহণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করেছে বলেও জানিয়েছে রেদোয়ান। 
শীর্ষনিউজ/এনএস