বুধবার, ১৭-অক্টোবর ২০১৮, ০২:১৩ অপরাহ্ন
  • জেলা সংবাদ
  • »
  • র‌্যালিতে গিয়ে প্রাণে বাঁচলো সহস্রাধিক শিক্ষার্থী 

র‌্যালিতে গিয়ে প্রাণে বাঁচলো সহস্রাধিক শিক্ষার্থী 

Shershanews24.com

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০৩:৪৬ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, লক্ষীপুর : লক্ষীপুরের রামগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘোষণার পরও একান্তই বাধ্য হয়ে শিক্ষা ও অফিসিয়াল কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হয়েছেন রামগঞ্জ রাব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। স্থান সংকুলান না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে আসলেও হটাৎ  রোববার সকাল ১১টায় মাদ্রাসা ভবনের একটি অংশের পলেস্তারা ও বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। এসময় মাদ্রাসা মাঠে র‌্যালিতে অংশগ্রহনের জন্য শিক্ষার্থীরা ভবনের না থাকায় রক্ষা পায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর জীবন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৪ সালে নির্মিত রামগঞ্জ রাব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসার পুরাতন ভবনটি অনেক আগেই ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। স্থানীয় সাংসদ লায়ন এম এ আউয়াল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা অফিসার ও রাজনীতিবিদরা দফায় দফায় চেষ্টা করেন নতুন ভবন নির্মানের জোর তদবির চালিয়ে আসলের কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এতে করে কোন উপায়ন্তর না দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ২০০৪ সালে মাদ্রাসা ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। কিন্তু মাদ্রাসা সংলগ্ন সাইক্লোন সেন্টারের শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় বিগত কয়েক বছর থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে পুরাতন ভবনেই দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব ও স্থানীয় সাংসদ লায়ন এম এ আউয়াল মাদ্রাসার পুরাতন ভবনের স্থানে নতুন ৬তলা ভবনের জন্য সরকার থেকে প্রকল্প অনুমোদন করেন। এবং টেন্ডার কর্মকাণ্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
র‌্যালি শেষে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা উঠার সময় হটাৎ অষ্টম শ্রেণীর ক্লাশ রুমের সামনে দোতলার বারান্দার একটি অংশ নিছে ধসে পড়ে।
এসময় মাদ্রাসা কক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী আটকে পড়ে।
হটাৎ ভবন ধসের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত মাদ্রাসা ভবন থেকে সরতে গেলে কয়েকজন আহত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান শতশত অভিভাবক।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য আকবর হোসেন জানান, আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেছি। পুরাতন ভবন সম্পূর্ণ খালি করা হয়েছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এইচ এম মোশতাক আহম্মেদ জানান, র্যালি শেষ করে আমরা মাত্র অফিসে ফিরেছি এমন সময় বিকট শব্দে মাদ্রাসার একটি অংশের পলেস্তারা ও ছাদ মাটিতে খসে পড়ে। শব্দে আমরাসহ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। গভর্নিং বডির সদস্যরা সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্রুত ভবনটি খালি করার ব্যাবস্থা গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি যেন দ্রুত মাদ্রাসা ভবনের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন ভবন নির্মান করা হয়। না হলে কয়েকদিন পর জেডিসি পরীক্ষাসহ পড়ালেখা মারাত্মক ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 
শীর্ষনিউজ/প্রতিনিধি/এমই