বুধবার, ১৭-অক্টোবর ২০১৮, ০১:১৭ অপরাহ্ন
  • প্রশাসন
  • »
  • সড়কে জরিমানা আদায় ৭ কোটি, তবুও নেই সফলতা

সড়কে জরিমানা আদায় ৭ কোটি, তবুও নেই সফলতা

Shershanews24.com

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০৬:৫৭ অপরাহ্ন

শীর্ষ নিউজ, ঢাকা: ট্রাফিক সপ্তাহ বা ট্রাফিক সচেতনতা মাস। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পথচারী ও চালকদের সচেতন করায় ব্যস্ত স্কাউট সদস্যরা। এমনকি জরিমানাও আদায় করা হয়েছে বিপুল পরিমাণে। কিন্তু কোন উদ্যোগেই নিয়ন্ত্রণে আসেনি নগরীর সড়কে দুর্ঘটনা। চালক-যাত্রী কারোরই নেই নিয়ম মানার সদিচ্ছা। 
মাসব্যাপী ট্রাফিক কার্যক্রমেও বন্ধ হয়নি বাসে যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা বা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার। আসেনি কাঙ্ক্ষিত সফলতাও। রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে এমনই মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার। নাগরিকদের দীর্ঘদিনের আইন না মানার অভ্যাস বদলাতে সময় প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। আর দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক আইনের চেয়েও সড়ক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
এদিন ট্রাফিক সচেতনতা মাস কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ডিএমপি কমিশনারও বললেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাঙ্খিত সাফল্য এখনও আসেনি। নগরবাসী আইন না মানলে শুধু পুলিশ নয়, সরকারের কোন বাহিনীর পক্ষেই ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘সফলতা আসছে। তবে আমি বলবো কাঙ্খিত মাত্রায় সফলতা এখনও আসেনি। বাসগুলো যাতে সুশৃঙ্খলভাবে যায়, বাস স্টপেজ ছাড়া যত্রতত্র না দাঁড়ায়, এবং বাসের দরজাগুলো যাতে বন্ধ থাকে- সেই ব্যাপারে আমরা সকলকে অনুরোধ করেছিলাম, নির্দেশনা দিয়েছিলাম। সেই ব্যাপারেও কিছু উন্নতি হয়েছে। পুরোটা যদিও হয়নি।’ 
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ট্রাফিক ব্যবস্থায় নয় পরিবর্তন আনতে হবে পুরো সড়ক ব্যবস্থাপনায়। বুয়েটের দুর্ঘটনা রিসার্চ ইন্সটিটিউট-এর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুন নেওয়াজ বলেছেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে, ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করে যে করে ফেলবো- সেটা নয়। এটা একটা অংশ। পাশাপাশি যেটা আরও জরুরী সেটা হলো বাস রুট ঠিক করেছি কিনা। চালকদের যে বেপরোয়া মনোভাব ছিলো, তাদেকে কি আমি একটা কোম্পানির আন্ডারে একটা রুটে দিতে পারছি কিনা। এই বিষয়গুলো কিন্তু আমরা এখনও নির্দেশনরায় আনতে পারিনি।’
এদিকে, আগষ্টে ট্রাফিক সপ্তাহ থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৭ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
শীর্ষ নিউজ/এনএস